কৌস্তভ ঘোষ

এই মোড়কটা,
মানুষ শুধু যেটা দেখতে পায়।
যেটা নিয়ে সে শুধু মাতামাতি করে।
আত্মদর্শন হয় না তার।
নিজের ভেতর টাকে সে দেখে না, দেখার চেষ্টা করে না।
এই মোড়কের ভেতরের মোড়ক টা আরো ভয়ঙ্কর।
সে আত্মা না হয়েও আত্ম বস্তু, সুক্ষ্ম একটা শরীর।
তার সেই শরীর নির্মাণ হয় কর্মের দ্বারা।
পারলৌকিক ভোগটা সেই করে।
কেউ বা তাঁর থেকেও বড় কিছুর কথা ভাবে।
বহুজনহিতায় বহুজনসুখায় মন্ত্র জপে এগিয়ে চলে তাঁরা।
তাদের স্বপ্ন বারবার ফিরে আসা,
মুক্তির সাধনা তারা অন্যের মুক্তির কারন হয়ে করে।
মুক্তি তাদের কর্মযোগে।
নৌকা ছাড়ছে, যতজনকে পারে সে নৌকায় তুলে নিয়ে যাবে ওপারে।
সব জেনেও মায়ায় জড়িয়ে পড়ে।
বড় কঠিন যে কাজ।
খোলসের ভেতরের খোলস বেরিয়ে এলে সে আর আসবে না।
সে আর ফিরতে পারবে না।
মায়ায় জড়িয়েই বোধহয় কর্মফল গ্রহন ও মুক্তি হয়।
তাঁরা এসেছে যথা সময়ে তাদের ফিরতে হবে।।


Leave a Reply