কৌস্তভ ঘোষ
পূণ্য যতটা সহজ ততটাই কঠিন, পাপ যতটাই কঠিন ততটাই সহজ। “শুধু নিজে, শুধু আমি” এই মনোবৃত্তি পাপ কর্মের দিকে অগ্রসর করিয়ে দেয়, তা সে যতই পূণ্য কর্ম সম্পাদনের জন্য করা হোক না কেন। আমি যেসব খারাপ কিছুর সম্মুখীন হয়েছি বা ভোগ করেছি পরের প্রজন্ম কে ভোগ করতে হবে় এই মানসিকতা নিজেকে ও পুরো সমাজ কে অন্ধকারে ঠেলে দেয় তাঁর ছোট্ট উদাহরন শাশুড়ি বৌমার সম্পর্ক গুলো, র্যাগিং যে কোনো সম্পর্কে।
“মা বিদ্বিষাবহৈ” এর মহামন্ত্র ঋষিরা যুগ যুগ ধরে দিয়ে এসেছে। তাই কেউ কুম্ভ যাক বা হজে, গুরু দোয়ারা হোক বা চার্চ -যদি বিদ্বেষ বিষ অন্তর হতে নাশ না হয় ও কেউ যদি বিদ্বেষ এর বীজ ছড়ানোর কথা ভাবে তাঁদের উপর প্রভু কখনও সদয় হন না। আসলে আমরা ভুলে যাই মহাকুম্ভের অন্যতম লক্ষ্য অন্তর শুদ্ধি ও বুঝতে পারা “বহুজন হিতায় বহুজন সুখায়”। শেষ করতে চাই এভাবে –
“সর্বেষাং পূর্ণং ভবতু
সর্বেষাং মঙ্গলং ভবতু
সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ
সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ
সর্বে ভদ্রানি পশ্যন্তু
মা কশ্চিদ্ দুঃখভাগ্ ভবেৎ
ওম্ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ”


Leave a Reply